September 28, 2021

দৈনিক প্রথম কথা

বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক

রাজশাহী প্রতিনিধি : বিএনপির নেতা নাসিরউদ্দিন আহমেদ পিন্টু মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি…রাজিউন)। আজ রোববার দুপুরে পিন্টুকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসা কর্মকর্তা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিনের ভাষ্য, পিন্টুকে মৃত অবস্থায় আজ দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়।

বিএনপির এই নেতার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক বলেন, এই মুহূর্তে তা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। হাসপাতালে আনার পথে বা কারাগারে পিন্টুর মৃত্যু হতে পারে বলে ধারণা তাঁর।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক বলেন, পিন্টুর লাশ মেডিকেল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে। লাশের ময়নাতদন্ত করা হবে।

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ কারা তত্ত্বাবধায়ক শফিকুল ইসলাম প্রথম আলোর কাছে দাবি করেন, গত ২০ এপ্রিল পিন্টুকে রাজশাহীতে আনা হয়। ২৬ এপ্রিল তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পাঠিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। তাঁর হৃদ্‌রোগ ও চোখে সমস্যা ছিল। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী কারা হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছিল।

শফিকুল ইসলামের ভাষ্য, আজ বেলা ১২টার কিছু আগে বুকে ব্যথা অনুভব করেন পিন্টু। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন কারা হাসপাতালের চিকিৎসক এস এম সায়েম। তিনি পিন্টুকে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। বেলা ১২টার দিকে তাঁকে অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হয়। তখন তাঁর জ্ঞান ছিল না, তবে নিঃশ্বাস নিচ্ছিলেন। হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসা কর্মকর্তা পিন্টুকে মৃত ঘোষণা করেন।

ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও সাবেক সাংসদ পিন্টু পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। এ ছাড়া অবৈধভাবে অস্ত্র লুণ্ঠনের দায়ে পিন্টুকে ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত।

বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন আহমদ পিন্টু এবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু বিডিআর বিদ্রোহের মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হওয়ায় তাঁর মনোনয়ন বাতিল করা হয়।