September 26, 2022

দৈনিক প্রথম কথা

বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক

মে’র মধ্যে প্রার্থীদের ব্যয়ের হিসাব চায় ইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক : ২৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত তিনি সিটি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের আগামী ২৯ মে এর মধ্যে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন কমিশনের উপ-সচিব সামসুল আলম এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সামসুল আলম বলেন, ‘ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়ার জন্য ইতোমধ্যে প্রার্থীদের চিঠি দেয়া হয়েছে। নির্বাচনী বিধিমালা অনুসারে গেজেট প্রকাশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে সব প্রতিদ্বন্দ্বী (বিজয়ী ও পরাজিত) প্রার্থীকে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাখিল করতে হবে। সে হিসেবে আগামী ২৯ মের মধ্যেই হিসাব জমা দিতে হবে।’

তিনি জানান, মেয়র প্রার্থীরা ২০ লাখ ভোটার এলাকার জন্য সর্বোচ্চ দেড় লাখ এবং ২০ লাখের বেশি ভোটার এলাকার জন্য সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা ব্যক্তিগতভাবে খরচ করতে পারেন।

এছাড়া ‘নির্বাচনী ব্যয়’ হিসেবে ২০ লাখ ভোটারের জন্য সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা এবং ২০ লাখের বেশি ভোটার এলাকার জন্য সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা ব্যয় করতে পারেন।

এক্ষেত্রে ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র প্রার্থীরা ব্যক্তিগত খরচসহ সর্বোচ্চ ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ের সুবিধা পেয়েছেন। আর ঢাকা দক্ষিণ সিটি ও চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনের মেয়র প্রার্থীরা পেয়েছেন সর্বোচ্চ ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ের সুবিধা।

অন্যদিকে কাউন্সিলর প্রার্থীরা অনধিক ১৫ হাজার ভোটার এলাকার জন্য সর্বোচ্চ এক লাখ ১০ হাজার টাকা, ১৫ হাজার ১ থেকে ৩০ হাজার ভোটার এলাকার জন্য সর্বোচ্চ দুই লাখ ২০ হাজার টাকা, ৩০ হাজার ১ থেকে ৫০ হাজার ভোটার এলাকার জন্য সার্বোচ্চ চার লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং ৫০ হাজার ১ থেকে তার বেশি ভোটার এলাকার জন্য সর্বোচ্চ ছয় লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয় করতে পারেন।

সিটি করপোরেশন নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী, প্রার্থীকে প্রতিদিনের ব্যয়ের করা বিলের কপি, ব্যাংক থেকে উত্তোলিত অর্থের হিসাব বিবরণী, ব্যক্তিগত খরচের মোট হিসাব প্রভৃতি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেয়ার বিধান রয়েছে। এক্ষেত্রে বিজয়ীদের গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যেই হিসাব জমা দেয়ার কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

নির্বাচন বিধিমালায়, প্রার্থীর ব্যয়ের হিসাব দাখিল সংক্রান্ত কোনো বিধান লঙ্ঘন হলে নূন্যতম ছয়মাস থেকে সর্বোচ্চ সাত বছরের জেল বা প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলেরও বিধান রয়েছে। উল্লেখ্য, তিন সিটি নির্বাচনে ৪৮ জন মেয়র প্রার্থী ও ১১৩২ কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।