December 6, 2021

দৈনিক প্রথম কথা

বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক

২০২১ সালে কারিগরি জনবল ২০ শতাংশে উন্নীত হবে : শিল্পমন্ত্রী

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : বর্তমান সরকার আন্তর্জাতিক শ্রম বাজারের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার মতো দক্ষ ও যোগ্য শ্রমশক্তি তৈরির চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। তিনি বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে দেশে কারিগরি প্রশিক্ষিত জনবলের সংখ্যা শতকরা ২০ ভাগে উন্নীত করা হবে। সোমবার টেকসই উন্নয়নের জন্য কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সমাপণী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, দেশব্যাপী যুব সম্প্রদায়ের জন্য কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্য, মালয়েশিয়া ও ইউরোপের শ্রম বাজারে আমাদের তরুণ জনশক্তির অবস্থান ক্রমেই সুসংহত হচ্ছে। তিনি বলেন, দেশের বিশাল জনসম্পদ জাতীয় অর্থনীতির একটি শক্তিশালী উপাদান। একে পরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করে বর্তমান সরকার শ্রম বাজার ও প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য দূরীকরণে অগ্রাধিকারভিত্তিতে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে উপজেলা পর্যায়ে কারিগরি স্কুল ও কলেজ স্থপন করা হয়েছে।

আমু বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে জনগণের জন্য অধিকহারে কর্মদক্ষতা ও আয়বৃদ্ধির পাশাপাশি আত্ম-কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে থানা ট্রেনিং সেন্টারের কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। দেশব্যাপী কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ সহজলভ্য করার চলমান উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে সরকার গৃহিত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের শতকরা ৮৫ ভাগ বাস্তবায়ন ও তদারকি করে থাকেন ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা। এ বিবেচনায় সরকার তৃণমূল পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষায় প্রশিক্ষিত ও দক্ষ জনবল গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। তারা বেসরকারি পর্যায়ে স্থাপিত কারিগরি  স্কুল-কলেজের গুণগতমান বৃদ্ধির তাগিদ দেন।

ইন্সটিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার বাংলাদেশ, এবং ম্যানিলার কলম্ব প্লান স্টাফ কলেজ যৌথভাবে রাজধানীর একটি হোটেলে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

ইন্সটিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার বাংলাদেশ এর প্রেসিডেন্ট এ কে এম হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম এম.পি, কলম্ব প্লান স্টাফ কলেজের মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ নাঈম ইয়াকুব, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।