September 24, 2021

দৈনিক প্রথম কথা

বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক

শিক্ষা ও তথ্যপ্রযুক্তিই দারিদ্র্য ও সাম্প্রদায়িকতা থেকে উত্তরণের সিঁড়ি : তথ্যমন্ত্রী

নিজেস্ব প্রতিবদেক: তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, আধুনিক উন্নত শিক্ষা ও তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারই দারিদ্র্য ও সাম্প্রদায়িকতার অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আসার একমাত্র সিঁড়ি।
তিনি বলেন, জঙ্গিবাদী ও সাম্প্রদায়িক ধর্মান্ধতা থেকে মুক্তি দিতে প্রয়োজন আধুনিক শিক্ষা এবং সামাজিক ও ডিজিটাল বৈষম্য কমাতে প্রয়োজন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ২০০৯ সাল থেকে দেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে যে বিপ্লবের সূচনা করেছে, তা গণতন্ত্রকে আরো সুসংহত করছে।
মঙ্গলবার রাজধানীর রায়েরবাজারে গ্রামীণফোন, জাগো ফাউন্ডেশন এবং অগ্নি সিস্টেম্স এর সম্মিলিত উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত অনলাইন শিক্ষক কেন্দ্র উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
গ্রামীণফোনের যোগাযোগ পরিচালক মার্কাস এডাকটাসন ও কর্পোরেট বিভাগের প্রধান মাহমুদ হোসেন, জাগো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা করভী রাখসান্দ, অগ্নি সিস্টেম্স লিমিটেডের পরিচালক জিয়া শামসীসহ সংস্থাত্রয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং অনলাইন শিক্ষক কেন্দ্রের শিক্ষকগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, গণতন্ত্রের খোলা জানালা দিয়ে জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার পোকামাকড়ও ঢুকবে, কিন্তু শান্তিতে বসবাসের জন্য সেই পোকামাকড় ধ্বংস করার বিকল্প নেই। পায়ে কাঁটা বিঁধলে তা তুলতে যেমন খানিক কষ্ট স্বীকার করতে হয়, তেমনি জঙ্গিবাদের পোকামাকড় ধ্বংসেও একটু কষ্ট স্বীকার করতে হবে।
মন্ত্রী অনলাইন শিক্ষা পদ্ধতির প্রশংসা করে বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে দূর-দূরান্তের শিক্ষার্থীদের কাছে আধুনিক শিক্ষা পৌঁছানো সামাজিক ও ডিজিটাল বৈষম্য কমিয়ে আনবে।
তথ্যমন্ত্রী এ সময় শিক্ষক কেন্দ্রের ১০টি স্টুডিও ঘুরে দেখেন এবং কয়েকটি জেলার স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সাথে অনলাইনে কথা বলেন। তিনি গ্রামীণফোনসহ তিনটি সংস্থাকে এ উদ্যোগের জন্য অভিনন্দন জানান এবং এ কার্যক্রমের প্রসারে আরো পরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
গাজীপুর, গাইবান্ধা, রাজশাহী, মাদারীপুর, বান্দরবান, টেকনাফ, রংপুর, দিনাজপুর, হবিগঞ্জ এবং লক্ষ্মীপুর জেলায় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের ১০টি স্কুলের প্রায় ৭০০ শিক্ষার্থীর জন্য রায়েরবাজার শিক্ষক কেন্দ্র থেকে অনলাইনে অডিও-ভিজ্যুয়াল ক্লাস পরিচালনা করা হচ্ছে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ভবিষ্যৎ উন্নয়নে বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি মাধ্যমে শিক্ষার ওপর জোর দেয়া এ ব্যবস্থার একটি বিশেষত্ব।