September 17, 2021

দৈনিক প্রথম কথা

বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক

দ্রুত ওজন কমানোর ৭টি সহজ পদ্ধতি

ডেস্ক প্রতিবেদন : আপনি কি ওজন কমাতে চান? এর সবচেয়ে সহজ উপায় হল, আপনার দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্বাস্থ্যকর কিছু পরিবর্তন আনুন। এর জন্য বিভিন্ন ধরণের পন্থা অবলম্বন করা যায়। আসুন জেনে নেওয়া যাক দ্রুত ওজন কমানোর পদ্ধতি গুলো-

১. সকালের নাস্তায় ডিম রাখুন:

আপনার প্রতিদিনের সকাল অবশ্যই স্বাস্থ্যকর ভাবে শুরু করুন। সকালের নাস্তার তালিকায় অবশ্যই ডিম রাখুন। এতে প্রচুর পরিমাণে স্বাস্থ্য উপকারিতার সাথে সাথে ওজন কমাতেও সাহায্য করে। সকালের নাস্তায় ডিম খেলে সারাদিনে আপনার ক্ষুধা কম লাগবে। এতে করে আপনি অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণ করতে পারবেন না। যার ফলে আপনার ওজন কমে যাবে।

২. টিভি বন্ধ করুন:

আপনি যখন রাতের খাবার খাবেন, তখন অবশ্যই আপনার টিভি বন্ধ রাখুন। গবেষণায় দেখা গেছে, আপনি সাধারণ সময়ে যতটুকু ক্যালোরি গ্রহণ করেন, টিভি দেখতে দেখতে খাবার খেলে আরও ৪০ শতাংশ বেশি খাবার গ্রহণ করবেন।অন্যমনস্ক হয়ে খাবার ফলে অনেকেই বেশি খাবার গ্রহণ করেন। তাই, আপনার মোবাইল, ফোন, টিভি বা অন্যান্য ডিভাইস সাথে না রেখে খাবার গ্রহণ করুন।

৩. নারিকেল তেলের ব্যবহার শুরু করুন:

নারিকেলের তেলের অনেক উপকারিতা রয়েছে। এতে ট্রাইগ্লিসেরাইড নামের এক বিশেষ প্রকারের চর্বি রয়েছে। এই বিশেষ ধরণের চর্বি ক্ষুধা হ্রাস করতে সাহায্য করে। নারিকেলের তেলে ১২০ ক্যালোরি রয়েছে, যা আপনার বিপাকে উন্নতি সাধিত করে।

৪. অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন:

আপনি যদি খাবারের পর ড্রিংক করতে পছন্দ করেন, তাহলে তা সপ্তাহে শুধু একদিনের জন্য রাখুন। অ্যালকোহলে প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি রয়েছে, যা একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্য তালিকার জন্য সঠিক নয়। বিয়ারের প্রতি গ্লাসে ১০০ ক্যালোরি বিদ্যামান রয়েছে।

৫. খাওয়ার আগে পানি পান করুন:

রাতের খাবার খাওয়ার পূর্বে অবশ্যই পানি পান করুন। গবেষণায় দেখা গেছে, খাবার গ্রহণের আধ-ঘণ্টা পূর্বে প্রায় আধা লিটার পানি পান করলে স্বাভাবিকের তুলনায় কম ক্যালোরি গ্রহণ করা যায়।

৬. শোবার পূর্বে অবশ্যই দাঁত ব্রাশ করুন:

আপনার রাতের খাবারের ৩০ মিনিট পর দাঁত ব্রাশ করুন। এতে আপনি অনেক রাত পর্যন্ত জেগে থাকলেও খাবার গ্রহণের ইচ্ছা হবে না। এতে ক্যালোরি বৃদ্ধির সম্ভাবনা কমে যাবে।

৭. ডায়েটের প্রয়োজন নেই, স্বাস্থ্যকর খাবার খান:

খাদ্যাভ্যাস মেনে চলা খুবই দীর্ঘমেয়াদে কার্যকরী হয়। গবেষণায় দেখা যায়, এতে ভবিষ্যতে ওজন বাড়ার কারন হতে পারে। আপনি আপনার জীবনধারার পরিবর্তন করুন। ডায়েটের প্রয়োজন নেই, অস্বাস্থ্যকর খাবার খাবেন না। এতেই আপনার স্বাস্থ্যের উন্নতি হবে এবং ওজন হ্রাস পাবে।

এই সহজ ৭টি পদ্ধতি অবলম্বন করুন। তাহলে কষ্ট ছাড়াই আপনার ওজন সবসময় নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।