October 23, 2021

দৈনিক প্রথম কথা

বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক

না ফেরার দেশে চিত্রনায়ক মিঠুন

বিনোদন প্রতিবেদক : ঢালিউডের এক সময়ের জনপ্রিয় নায়ক ও কাহিনীকার আবুল কাশেম মিঠুন রোববার রাত দুইটার দিকে কলকাতার একটি হাসপাতালে মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর। মিঠুনের ছোট ভাই শেখ ফারুক হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আজ সোমবার বিকেলে ভারত থেকে বেনাপোল সীমান্ত হয়ে বাংলাদেশে আসবে। তার লাশ গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার দরগাহপুরে নেয়া হবে। সেখানে জানাজা শেষে পিতা শেখ আবুল হোসেনের কবরের পাশে দাফন করা হবে বলে তার পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

গত ১১ মে সোমবার অসুস্থ মা হাফেজা খাতুনকে দেখতে খুলনার আসেন আবুল কাশেম মিঠুন। সেখানে বুধবার তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল খুলনায় ভর্তি করা হয়। সেখানে সোমবার পর্যন্ত তার চিকিৎসা চলে। তার অবস্থার আরো আবনতি হলে ১৯ মে মঙ্গলবার সকালে তাকে ভারতে পাঠানো হয়। গতকাল রোববার তার শারিরীক অবস্থার আরও অবনতি হলে আইসিইউতে নেয়া হয়। রাত ২টার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে তার সাথে অবস্থানরত ছোট ভাই শেখ ফারুক হোসেন টেলিফোনে জানান। চিকিৎসকরা জানান, শেখ আবুল কাশেম মিঠুন কিডনি, লিভার, হার্ট ও ফুসফুসের সমস্যায় ভুগছিলেন।

শেখ আবুল কাশেম মিঠুন ১৯৫৮ সালের ১৮ এপ্রিল পাইকগাছায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক বাড়ি সাতক্ষীরায়।

mithun-1১৯৮০ সালে ‘তরুলতা’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে মিঠুন রূপালি পর্দায় পদার্পণ করেন। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে— ‘ঈদ মোবারক’, ‘ভেজা চোখ’, ‘নিকাহ’, ‘কুসুমকলি’, ‘প্রেম প্রতিজ্ঞা’, ‘বেদের মেয়ে জোছনা’, ‘নিঃস্বার্থ’, ‘সাক্ষাৎ’, ‘স্বর্গনরক’, ‘ত্যাগ’, ‘চাকর’, ‘জিদ’, ‘চাঁদের হাসি’, ‘নরম গরম’, ‘গৃহলক্ষ্মী’, ‘এ জীবন তোমার আমার’, ‘খোঁজ খবর’, ‘ছোবল’, ‘কসম’, ‘দিদার’ ও ‘পরিচয়’।

তার রচিত কাহিনী ও চিত্রনাট্যে নির্মিত সিনেমার মধ্যে ‘ঈদ মোবারক’, ‘মাসুম’, ‘প্রেম প্রতিজ্ঞা’, ‘চাকর’, ‘কুসুমকলি’, ‘দস্যু ফুলন’, ‘জেলহাজত’, ‘তেজ্যপুত্র’, ‘সর্দার’, ‘অন্ধ বধূ’ উল্লেখযোগ্য।