October 23, 2021

দৈনিক প্রথম কথা

বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক

২০১৯ এর নির্বাচনে খালেদার সুযোগ নেই : তথ্যমন্ত্রী

সংসদ প্রতিবেদক : তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, আগামী ২০১৯ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে গণতান্ত্রিক শক্তির সঙ্গে গণতান্ত্রিক শক্তির নির্বাচন। সেই নির্বাচনে গণতন্ত্রের অচল মাল সচল করার সুযোগ নেই। খালেদা জিয়ারও অংশগ্রহণের সুযোগ নেই।

শনিবার জাতীয় সংসদের ২০১৫-২০১৬ প্রস্তাবিত অর্থবছরে সাধারণ বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আপনি তো সমঝোতায় বিশ্বাস করেন না। গোপন তোষামোদিতে বিশ্বাসী করেন, আর তৃতীয় পক্ষের হয়ে খেলেন।

ইনু বলেন, কোনওদিনই বাংলাদেশে রাজাকার সমর্থিত, সামরিক সমর্থিত কেউ ক্ষমতায় আসবে না। শেখ হাসিনার বিকল্প আগুনসন্ত্রাস সমর্থিত খালেদা জিয়া কখনোই নন। খালেদা জিয়া নিজেই উন্নয়ন সমৃদ্ধির রাজনীতি থেকে খরচের খাতায় নিয়ে গেছেন। এটা আপনি না বুঝলেও আপনার দলের নেতাকর্মীরা, জনগণ বুঝতে পেরেছে। যতই লম্ফজম্ফ করেন না কেন, মানুষ পোড়ানোর অপরাধ থেকে জনতার আদালতে এবং আইনের আদালতে রেহাই পাবেন না। তেমনি যুদ্ধাপরাধীদেরও আপনি ফাঁসির দড়ি থেকে বাঁচতে পারবেন না। সুতরাং আপনি পরিণতির জন্য প্রস্তুত হোন।

তিনি বলেন, মাথায় গণতন্ত্রের ওড়না যতই পরেন, মোদির সঙ্গে যতবারই করমর্দন করেন, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হয়ে গেছে। সেটা হচ্ছে আপনাকে রাজনীতির বাইরে থাকতে হবে। আদালতে দাঁড়াতে হবে।

জামায়াতকে গণতন্ত্রের বিষফোড়া আখ্যায়িত করে তিনি আরও বলেন, সাজানো বাগানে শুকর ছেড়ে দিলে, সেই বাগান তছনছ করে দেয়। বর্তমানে গণতন্ত্রে কোনও ঘাটতি নেই, আছে শুধু কিছু বিষফোড়া। এসব বিষফোড়া ছোট-খাটো অপারেশনের মাধ্যমে বাদ দিতে হবে।

খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা নরেদ্র মোদির সঙ্গে যেসব চুক্তি এবং সমঝোতা স্বাক্ষর করেছেন। আপনি (খালেদা) কাল যদি ক্ষমতায় আসেন তাহলে কোন চুক্তিটি বাতিল করবেন বলুন। আপনি একটিও বাতিল করতে পারবেন না। কারণ এসব চুক্তি দেশের জনগণের স্বার্থেই হয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, অনেকে ফ্যাশন করে বলেন, গণতন্ত্রে ঘাটতি আছে। গণতন্ত্র মাপবেন কী দিয়ে? বাক স্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দিয়ে? যদি গণতন্ত্রের মাপকাঠি তা-ই হয়ে থাকে, তাহলে যারা সমালোচনা করছেন, তারাই প্রমাণ করেছেন, গণতন্ত্রের সর্বোচ্চ সুযোগ নিচ্ছেন। এখানে গণতন্ত্রের কোনও ঘাটতি নেই। বর্তমানে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গণমাধ্যমে এবং স্বাধীন মত প্রকাশের স্বর্ণযুগ চলছে।