June 25, 2021

দৈনিক প্রথম কথা

বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক

বড় পরিবর্তন ছাড়াই বাজেট পাস হচ্ছে আজ

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : কর প্রস্তাবে সামান্য কিছু পরিবর্তন ছাড়া আর কোনো বড় পরিবর্তন আসছে না ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে। জাতীয় বাজেটে কর প্রস্তাবে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে আরোপিত মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট কমানো হচ্ছে। কমছে তৈরি পোশাকসহ রফতানি খাতের উৎসে কর হার। ব্যক্তি খাতে শহরে ন্যূনতম কর বাড়ছে, কমছে উপজেলা পর্যায়ে। শুল্ক হার কমানো হচ্ছে দেশীয় মোটরসাইকেল সংযোজন শিল্পে ব্যবহৃত আমদানি যন্ত্রপাতির। কর সুবিধা দেওয়া হচ্ছে ছোট মৎস্য খামারিদের।

আজ মঙ্গলবার চূড়ান্ত হচ্ছে নতুন বাজেট। এযাবতকালের সর্বোচ্চ প্রায় তিন লাখ কোটি টাকার বাজেট এটি। এবারের বাজেট আলোচনার নজর মোটামুটি বাজেটের ওপরই সীমাবদ্ধ ছিল। কিছু কিছু বিষয়ে সমালোচনা হয়েছে। প্রশংসাও করেছেন অনেকে। কিছু সংযোজন-বিয়োজনেরও প্রস্তাব এসেছে।

জানা গেছে, এবারের প্রস্তাবিত বাজেটে তেমন কোনো পরিবর্তন আসবে না। চিনিসহ কয়েকটি পণ্যে শুল্ক বিষয়ে যে সংশোধন আনার বিষয়টি ইতোমধ্যে সংশোধনিতে বলেছেন মুহিত। ১ জুলাই থেকে শুরু হতে যাওয়া ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জন্য গত ৪ জুন এই বাজেট প্রস্তাব জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী।

সূত্র জানিয়েছে, অর্থমন্ত্রী বাজেটে যেসব কর প্রস্তাব করেছেন তার প্রায় সবই থাকছে। পরিবর্তন আনা হতে পারে কেবল দু-একটি বিষয়ে। এর মধ্যে, প্রস্তাবিত বাজেটে ন্যূনতম কর চার হাজার টাকা করার যে প্রস্তাব করা হয়েছিল তা পরিবর্তন করে ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকার জন্য ন্যূনতম কর পাঁচ হাজার টাকা করা হতে পারে।

এছাড়া অন্য সিটি কর্পোরেশন এবং জেলা সদরের করদাতাদের জন্য ন্যূনতম কর চার হাজার টাকা এবং অন্যান্য এলাকার করদাতাদের জন্য এই কর তিন হাজার টাকা করা হতে পারে। বিদায়ী ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেটে সিটি কর্পোরেশন, জেলা সদরের পৌরসভা এবং অন্যান্য এলাকার জন্য ন্যূনতম কর যথাক্রমে তিন হাজার, দুই হাজার এবং এক হাজার টাকা ছিল।

তৈরি পোশাক রফতানিকারকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রস্তাবিত বাজেটে পোশাক রফতানির উপর এক শতাংশ হারে উৎসে কর কাটার যে প্রস্তাব করা হয়েছিল তা কমিয়ে শূন্য দশমিক ৮০ শতাংশ করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

বিদায়ী বাজেটে তৈরি পোশাক রফতানি মূল্যের উপর শূন্য দশমিক ৩০ শতাংশ এবং অন্যান্য পণ্যে শূন্য দশমিক ৬০ শতাংশ হারে উৎসে কর কেটে রাখা হতো। প্রস্তাবিত বাজেটে তা সব ক্ষেত্রেই এক শতাংশ করার প্রস্তাব করেছিলেন অর্থমন্ত্রী।