September 28, 2021

দৈনিক প্রথম কথা

বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক

কমলাপুরে টার্ফ পরিদর্শনে ফিফা প্রতিনিধি

ক্রীড়া প্রতিবেদক : কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে টার্ফ বসানোর কাজ চলছে। প্রাথমিকভাবে মাঠে পাথর দিয়ে গ্রাউন্ডস তৈরির কাজ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সেই কাজ পরিদর্শনে এসেছিলেন ফিফা প্রতিনিধি মার্কোস কেলার। দীর্ঘ সময় মাঠের বিভিন্ন অংশে কাজের মান পর্যালোচনা করে দেখেছেন তিনি। পরিদর্শন শেষে কাজের ব্যাপারে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন কেলার। তবে মাঠ রক্ষণাবেক্ষণে আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ফিফার এই কনসালটেন্ট।

কমলাপুরে টার্ফ বসানোর কাজ করছে ফিল্ড টার্ফের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান গ্রেট স্পোর্টস ইনফ্রা। ফিফা প্রতিনিধির সঙ্গে কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনে এসেছেন প্রতিষ্ঠানটির টেকনিক্যাল ম্যানেজার পিটার বেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাফুফে সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগও।

এর আগে দুপুর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকায় এসেছেন ফিফা কনসালটেন্ট মার্কোস কেলার। হোটেলে কিছুটা সময় বিশ্রাম নিয়ে সরাসরি মাঠের কাজ পরিদর্শনে চলে আসেন তিনি।

পরিদর্শন শেষে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের কেলার বলেছেন, ‘টার্ফ বসানোর জন্য মাঠ প্রস্তুত। আমি সবকিছু দেখেছি। সবমিলিয়ে ভালভাবেই কাজ এগোচ্ছে। এখন টার্ফ বসানো হবে। এর আগে মাঠের রক্ষণাবেক্ষণের ওপর আরও জোর দিতে হবে। বেশি মানুষ হাঁটাচলা করলে কাজে সমস্যা হয়। তাছাড়া ভিতরে কুকুর দেখা যাচ্ছে। এভাবে চললে কাজের ক্ষতি হবে। এসব ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।’

চট্টগ্রাম বন্ধরে দীর্ঘ ট্যাক্স জটিলতায় দিন আটক থাকার পর কমলাপুর স্টেডিয়ামের জন্য ফিফার কাছ থেকে আনা টার্ফ গত মাসের শেষ দিকে ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। অবশ্য মাঠকে টার্ফ বসানোর কাজের উপযোগী করতে প্রায় ১০ মাস সময় ধরে কাজ চলছে। এখন সেই মাঠ রোল ও ওয়াটারিং করা হবে। এরপর মাঠের যেসব অংশ কিছুটা দুর্বলতা আছে তা দূর করে টার্ফ বসানোর কাজ শুরু করা হবে।

তাই সব কাজ শেষে মাঠটি খেলার উপযোগী হতে আরও অন্তত দুই মাস সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন নির্মাণের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গ্রেট স্পোর্টস ইনফ্রার টেকনিক্যাল ম্যানেজার পিটার বেন। তিনি বলেছেন, ‘আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ৭ থেকে ১০ দিন সময়ের মধ্যে টার্ফ বসানোর কাজ শুরু করা হবে। পুরো কাজ শেষে খেলার জন্য হস্তান্তর করতে সর্বোচ্চ ৬০ দিন সময় লাগতে পারে।’

ফিফা প্রতিনিধির পরিদর্শনের মাধ্যমে কমলাপুর স্টেডিয়ামের কাজের একটা ধাপ শেষ হয়েছে। এখন শুরু হবে টার্ফ বসানোর কাজ। ঠিকভাবে যথাসময়ে এই কাজ শেষ আগামী মৌসুমের শুরু থেকেই ব্যবহার উপযোগী হবে কমলাপুরে অবস্থিত স্টেডিয়ামটি, যা ঢাকায় আন্তর্জাতিক মানের ফুটবল মাঠ সঙ্কট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে ফুটবল সংশ্লিষ্টদের বিশ্বাস।