December 6, 2021

দৈনিক প্রথম কথা

বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক

দেশে প্রায় ৬৭% মানুষ বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশে বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে শতকরা ৬৬ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ। ২০১২ সালে এ হার ছিল ৬৫ দশমিক ৬ শতাংশ। আর ২০১১ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে এ হার ছিল ৬৩ দশমিক ৬ শতাংশ, ৫৪ দশমিক ৬ এবং ৫৪ দশমিক ৪ শতাংশ।

পাশাপাশি কেরোসিনের আলো ব্যবহার করছে ৩২ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ। ২০১২ সালে এটি ছিল ৩৩ দশমিক এক শতাংশ। অন্যদিকে সৌর বিদ্যুৎসহ অন্যান্য উৎস থেকে আলো ব্যবহার করছে শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ মানুষ।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মনিটরিং দ্য সিচুয়েশন অব ভাইটাল স্টাটিসটিকস অব বাংলাদেশ এসভিআরএস-২০১৩ জরিপের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিবিএস।

প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের মানুষের গড় আয়ু ছিল ৭০ বছর ১ মাস। তা বেড়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদনে হয়েছে ৭০ বছর ৪ মাস। যা ২০০৯ সালে ছিল ৬৭ বছর ২ মাস।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুরুষের চেয়ে নারীদের গড় আয়ু বেশি। নারীদের গড় আয়ু হচ্ছে ৭০ বছর ২ মাস, যা ২০০৯ সালে ছিল ৬৮ বছর ৭ মাস। আর পুরুষের গড় আয়ু হচ্ছে ৬৮ বছর ৮ মাস, ২০০৯ সালে ছিল ৬৬ বছর ১ মাস।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, দেশে মাতৃমৃত্যুর হার কমেছে। বর্তমানে মাতৃমৃত্যুর হার দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৯৭ শতাংশ, যা ২০১২ সালে ছিল ২ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ।

মানুষের মধ্যে টয়লেট ব্যবহারের হার বেড়েছে বলে জানিয়েছে বিবিএস। স্যানিটারি পায়খানা ব্যবহারের হার দাঁড়িয়েছে ৬৩ দশমিক ৮ শতাংশ, যা ২০১২ সালে ছিল ৬৩ দশমিক ৩ শতাংশ।

বাংলাদেশে নির্ভরশীল মানুষের সংখ্যা কমেছে। বর্তমানে জাতীয়ভাবে শতকরা ৫৫ জন মানুষ নির্ভরশীল (শিশু, প্রতিবন্ধী, বেকার ইত্যাদি)। যা ২০১২ সালে ছিল ৫৬ শতাংশ, তার আগের তিন বছরে এ হার ছিল পর্যায়ক্রমে ৫৭ শতাংশ, ৬৫ শতাংশ এবং ৬৬ শতাংশ।

এক্ষেত্রে পল্লী অঞ্চলে নির্ভরশীল মানুষের হার শতকরা ৬০ শতাংশ যা তার আগের বছর ২০১২ সালে ছিল ৬১ শতাংশ এবং শহর এলাকায় এ হার ৪৭ শতাংশ, যা তার আগের বছর ছিল ৪৮ শতাংশ।

দেশে বেড়েছে শিক্ষার হার। প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশে শিক্ষার হার (১৫ বছর বা তদুর্দ্ধ মানুষ) মোট ৬১ শতাংশ, ২০০৯ সালে ছিল ৫৮ দশমিক ৪ শতাংশ।

পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, পুরুষের ক্ষেত্রে সাক্ষরতার হার দাঁড়িয়েছে ৬৫ দশমিক ১ শতাংশ এবং নারীদের ক্ষেত্রে সাক্ষরতার হার ৫৬ দশমিক ৯ শতাংশ। এক্ষেত্রে এখনও নারীরা পিছিয়ে রয়েছে।