September 17, 2021

দৈনিক প্রথম কথা

বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক

পৃথিবীর ৫টি দুর্লভ ফুল

ডেস্ক প্রতিবেদক : প্রবাদ আছে ‘যে ফুল ভালোবাসে না, সে মানুষ খুন করতে পারে’। তবে বাস্তবে এর ভিন্নতা হয় হর-হামেশা। ফুল ভালোবাসে না এমন মানুষ হয়তো খুঁজেই পাওয়া যাবে না। কারণ ফুলের আকর্ষণীয় রং, আকৃতি, নকশ এবং সুঘ্রাণ কম বেশি সব মানুষকেই আকৃষ্ট করে। তাছাড়া পৃথিবীজুড়ে ফুলের রয়েছে হাজারো প্রজাতি ও বৈচিত্র্য। বৈচিত্র্যময় ফুলের জগতেও আবার রয়েছে অনন্য বৈচিত্র্যের কিছু ফুল। নিচের পাঁচটি ফুল পৃথিবীর দুর্লভ ফুলগুলোর অন্যতম।

আমরফোফালুস টিটানুম: আমরফোফালুস টিটানুমকে বলা হয় বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর ফুল। সবচেয়ে দুর্লভ এবং সুন্দর এই ফুলটি পাওয়া যায় ইন্দোনেশিয়ায়। রূপে অনন্য হলেও এর ঘ্রাণ খুবই উৎকট। আকৃতিতে ফুলটি এতোটাই বড় যে, এর উচ্চতা প্রায় তিন মিটার পর্যন্ত হতে দেখা যায়। বৃহৎ এই ফুলটির আয়ুমাত্র এক সপ্তাহ। সাত থেকে আট বছর পর আমরফোফালুস টিটানুম নামের এই ফুলটির দেখা মিলে।

কসমস অ্যাট্রোস্যাঙ্গুয়িনিউস: প্রায় ১০০ বছর আগে এই ফুলটির বিলুপ্তি ঘটতে যাচ্ছিল। এ অবস্থায় ১৯০২ সালে এর ক্লোন করা হয়। ফলে পৃথিবীতে এদের জীবন ফিরে ফিরে আসে। এই ফুলটির পাওয়া যায় মেক্সিকোতে। কসমস অ্যাট্রোস্যাঙ্গুয়িনিউস ফোটে গ্রীষ্মকালে। মন মাতানো ঘ্রাণের জন্য একে ‘চকলেট কসমস’ নামেও ডাকা হয়।

স্ট্রঙ্গিলোডোন ম্যাক্রোবোট্রিস: স্ট্রঙ্গিলোডোন ম্যাক্রোবোট্রিস নামের এই ফুলটির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এ ফুলের রং পরিবর্তন হয় প্রতিদিন। বয়স বাড়ার সাথে সাথে ফুলটির রং ক্রমশ হালকা থেকে গাঢ় হতে থাকে। হালকা সবুজ রঙের লতাস্ট্রঙ্গিলোডোন ম্যাক্রোবোট্রিসের ফুলগুলো ফিরোজা রঙের। এদের আবাস ফিলিপিন্সে। দুর্লভ হওয়ায় এদের দেখা পাওয়াও সহজ নয়!

সেইপ্রিপেডিয়াম কালকাল্স: এটি একটি জংলী অর্কিড বিশেষ। আগে ইউরোপে এই ফুল প্রায় সব জায়গায়ই দেখা যেত। কিন্তু এখন কেবল ব্রিটেনে এ ফুলের দেখা মেলে। সেইপ্রিপেডিয়াম কালকাল্স ফুল এখন খুবই দুর্লভ। এই অর্কিডের মাত্র একটি স্টিকের দাম প্রায় পাঁচ হাজার মার্কিন ডলার।

হিবিসকাস কোকিও: এদের নিবাস কেবল হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জে। ১৯৫০ সালে এই ফুলটিকে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছিল। এর প্রায় ২০ বছর পর হঠাৎ কোকিওর একটি গাছের সন্ধান পাওয়া যায়। তখন এর একটি ডাল বেঁচে ছিল। পরে সে ডাল থেকে কলম করে ২৩টি চারা গাছ উৎপন্ন করা হয়। সেই থেকে জীবন ফিরে পেয়েছে হিবিসকাস কোকিরা।