December 6, 2021

দৈনিক প্রথম কথা

বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক

সড়কে মন্ত্রী-সচিবদের 'উল্টোরথ' থামাবে কে?

বিপ্লব শাহরিয়ার॥

দেশের যে কোনও সড়কে ফিটনেসবিহীন সব ধরনের যান চলাচল বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। শুধু এটুকুই নয়, ১৮ লাখ ৭৭ হাজার ভুয়া ড্রাইভিং লাইসেন্স জব্দ করে ওইসব চালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিআরটিএ চেয়ারম্যানকে। বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এ আদেশ কেন দিল? আসলে একটি ইংরেজি দৈনিকে ৩ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদন বিবেচনায় নিয়েছে আদালত।

আদালতের এই নির্দেশগুলো যে সময়োপযোগী- তাতে সন্দেহ নেই বিন্দুমাত্র। কিন্তু এই নির্দেশই কি যথেষ্ট? বলার অপেক্ষা রাখে না, সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে কিংবা পুরোপুরি রোধ করার স্বার্থে এমন নির্দেশনা দিয়েছে আদালত। তারপরও কয়েকটি প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যায়। আদালতের এই নির্দেশ কতটা পালন করা হবে? আদৌ পালন করা হবে কি? যদি পালন করা হয়ও সেক্ষেত্রে এতদিন যারা ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলতে দিল তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া হবে? যাদের কারণে বা ইচ্ছায় প্রায় পৌনে ১৯ লাখ ভুয়া ড্রাইভিং লাইসেন্স দিতে হলো বিআরটিএ কর্তৃপক্ষকে তাদের কী হবে? কোনও ব্যবস্থা কি নেওয়া হবে ভুয়া লাইসেন্স ইস্যুকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে? আদালতের এই আদেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করলে সড়ক দুর্ঘটনা যে অনেকটাই কমবে তাতে সন্দেহের অবকাশ নেই। কিন্তু সড়কগুলো কি আসলেই পুরোপুরি নিরাপদ হয়ে যাবে?

বিশেষ করে বাংলাদেশের মহাসড়কগুলোতে মৃত্যুর মিছিল নতুন কিছু নয়। একেকটা সময় আসে, যখন এই মিছিল দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়। সব মহল থেকেই সমালোচনায় বিদ্ধ হয় সরকার। নামমাত্র আর্থিক ক্ষতিপূরণ নিয়ে ছোটেন মন্ত্রী থেকে শুরু করে প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিরা। বড় বড় হেডলাইন কখনওবা ব্যানার হেডলাইন করে পত্রিকাগুলো। টেলিভিশনের টক-শোতে শুরু হয়ে যায় তুমুল আলোচনা। উঠে আসে ক্ষোভ, পাশাপাশি পরামর্শ।

সেইসব আলোচনায় অপ্রাসঙ্গিকভাবেই অতিথি করা হয় সড়ক নিরাপত্তা এবং সড়ক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বিশেষজ্ঞ নন এমন ‘টকারদের’। কয়েক দিনের মধ্যেই থিতিয়ে পড়ে সেই আলোচনা। ভোঁতা হয়ে যায় সমালোচনার তীরগুলো। এভাবেই চলছে বছরের পর বছর। তাতে সড়ক দুর্ঘটনা কমে না। থামে না স্বজনহারাদের কান্না। কালো পিচের উপর থেকে এক সময় মুছে যায় রক্তের দাগ। আবারো লাল হয় সড়ক-মহাসড়ক।

এবার কেন ফের আলোচনায় সড়ক দুর্ঘটনা? রোজার ঈদের আগে পরে মাত্র সাতদিনের একটি হিসাব দেওয়া যেতে পারে। ১৫ থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত সারাদেশে ১৫৪টি সড়ক দুর্ঘটনার কথা জানা গেছে। তাতে নিহত হয়েছে ১৯১ জন। এই পরিসংখ্যান গণমাধ্যমভেদে কিছুটা কম-বেশি হতে পারে। সেটা মুখ্য নয়। মুখ্য হলো, হঠাৎ করেই ফের মৃত্যুকূপ কেন মহাসড়কগুলো।

প্রতিবারই যখন এভাবে বেড়ে যায় সড়ক দুর্ঘটনা তখন সরকারের কিছু তৎপরতা দৃশ্যমান হয়। এবার যেমন মহাসড়কে দুর্ঘটনা কমাতে নড়েচড়ে বসেছে সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগ। ১ আগস্ট থেকে সারাদেশের মহাসড়কগুলোতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে থ্রি হুইলারের (ব্যাটারি ও সিএনজিচালিত অটোরিক্সা) চলাচল। দুর্ঘটনারোধে আর কোনও সিদ্ধান্ত বা পদক্ষেপতো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নিলো না। তবে কি এই একটি সিদ্ধান্ত কার্যকর হলেই বন্ধ হয়ে যাবে সড়ক দুর্ঘটনা? কোনোভাবেইতো তা হওয়ার কথা নয়।

জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে সরকার সিদ্ধান্ত নিতেই পারে। তবে দেখতে হবে তা কতটা বাস্তবসম্মত। খুব পরিষ্কারভাবে বলছি, সরকার সিদ্ধান্ত নিতে পারে কিন্তু ‘যেকোনও সিদ্ধান্ত’ নিতে পারে না। কারণ এটা গণতান্ত্রিক দেশ। নির্বাচিত সরকার। সেখানে যেকোনও সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই। মহাসড়কে থ্রি হুইলার অবশ্যই দুর্ঘটনার একটি কারণ। কিন্তু তা কোনওভাবেই সবচেয়ে বড় কারণ নয়। বড় কারণগুলোর বিষয়েতো সরকার নিশ্চুপ। তাছাড়া এই যে থ্রি হুইলারগুলো বন্ধ করে দেওয়া হলো, তার আগে কি সরকার কোনও জরিপ করেছে? সারাদেশের মহাসড়কে কত থ্রি হুইলার চলে? এর সঙ্গে কত মানুষের জীবিকা জড়িত? কতগুলোর পরিবারের কতগুলো মানুষের পেট চলে ওই তিন চাকায়? কারা চড়েন থ্রি হুইলারে? ঝুঁকি আছে জেনেও তারা কেন চড়েন? এতসব প্রশ্নের উত্তর কি সরকারের কাছে আছে? নাকি শুধু একটি দৃশ্যমান পদক্ষেপের কারণেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো? আমার ধারণা এতসব প্রশ্নের উত্তর ছাড়াই সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাই এই সিদ্ধান্ত সমর্থনের আপাত কোনও কারণ আমার কাছে নেই।

সিদ্ধান্তটি সমর্থন না করার আরও কারণ আছে। থ্রি হুইলারগুলোকে রীতিমতো ‘উচ্ছেদ’ করা হলো মহাসড়ক থেকে। অর্থাৎ জীবিকা থেকে উচ্ছেদ করা হলো কয়েক লাখ মানুষকে। কিন্তু একটি স্বাধীন দেশে, একটি গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় ‘উচ্ছেদ’ কতটা যৌক্তিক? কতটা গণতান্ত্রিক? বাংলাদেশের চলমান শাসনব্যবস্থা ও রাষ্ট্র কাঠামোয় প্রত্যেকটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতের দায়িত্ব রাষ্ট্রের। তাহলে হঠাৎ করে থ্রি হুইলার বন্ধ করে যে মানুষগুলোর রোজগারের পথ বন্ধ করে দেওয়া হলো, রাষ্ট্র কি তাদের সঙ্গে অবিচার করলো না?

তাদের উচ্ছেদ না করে পুনর্বাসন করা হলো না কেন? থ্রি হুইলারগুলো তাহলে কোথায় চলবে? আর মহাসড়কে যারা স্বল্প ভাড়া কিংবা স্বলদূরত্বের জন্য থ্রি হুইলারে চড়তেন তাদের যাতায়াতের জন্য কি ব্যবস্থা করেছে সরকার? এতসব প্রশ্নের সমাধান যদি না করা হয় তাহলে কেন থ্রি হুইলার বন্ধের সিদ্ধান্ত?

প্রশ্নের আসলে শেষ নেই। আগেই বলেছি, মহাসড়কে কেবলমাত্র থ্রি হুইলার বন্ধ করে সড়ক দুর্ঘটনা ঠেকানো যাবে না। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগেই যদি কারও হাতে গাড়ি স্টিয়ারিং উঠে যায়, তার কাছ থেকে আর যাই হোক, সড়ক এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা আশা করা যায় না। আমরা যারা নিয়মিত কিংবা অনিয়মিত মহাড়কের বিভিন্ন বাসে চড়ি, তাদের প্রত্যেকেরই কমবেশি এমন অভিজ্ঞতা হয়েছে, হলফ করে বলতে পারি। অদক্ষ কোনও কিশোর চালকের হাতেই সঁপে দিতে হয়েছে আমাদের জীবনের নিরাপত্তা। ওই কিশোর, যার চালকের সহকারীও হওয়ার কথা নয়, সে কিভাবে স্টিয়ারিং হাতে নিলো? এই প্রশ্নের জবাব জানা আছে সবারই। গরু-ছাগল চেনার তত্ত্বেইতো আসলে সে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেয়েছে। এমন ভুয়া ড্রাইভিং লাইসেন্সের সংখ্যা ১৮ লাখ ৭৭ হাজার। রীতিমতো আঁতকে ওঠার মতো একটি সংখ্যা।

প্রায় ১৯ লাখ চালক সারাদেশের ছোট ছোট সড়ক থেকে শুরু করে মহাসড়কগুলোতে মৃত্যুর দূত হয়ে ঘুরছে। কোনও এক মন্ত্রীর রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের স্বার্থেইতো এতগুলো মৃত্যুদূতকে বৈধতা দিয়েছে বিআরটিএ। থ্রি হুইলার নয়, সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণগুলোর একটি আসলে এইসব অদক্ষ এবং ভুয়া চালকরা। যারা বীরদর্পে গাড়ি হাঁকিয়ে বেড়াচ্ছে একজন মন্ত্রীর কল্যাণে। মাননীয় সড়ক পরিবহন ও সেতুবিষয়ক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের কি পারবেন ওই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে? হুটহাট রাস্তা পরিদর্শনে গিয়ে কিংবা বিআরটিএ কার্যালয়ে গিয়ে দুই একজনকে সাময়িক বরখাস্ত করে চমক দেওয়া যায়। তাতে সমস্যার শেকড় উপড়ানো যায় না কখনোই।

দুর্ঘটনার আরেকটি বড় কারণ ফিটনেসবিহীন গাড়ি। সাংবাদিক জগলুল আহমেদ চৌধুরী দুর্ঘটনার শিকার হওয়ার পর যে যুবক তাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন গণমাধ্যমে তার কথা শুনেছি আমরা। তিনি অনেক চেষ্টা করেছিলেন ঘাতক বাসটির নম্বর প্লেট পড়তে। কিন্তু পারেননি। কেন পারেননি জানেনতো? কারণ ওই বাসটির কোনও ব্যাকলাইট ছিল না। অদ্ভুত এক দেশে আমাদের বসবাস। এই রাজধানীতেই এমন কোনও গণপরিবহন আছে, যাকে পুরোপুরি ফিট বলা যেতে পারে! ৯০ ভাগ গাড়িরই ছাল-বাকলা উঠে গেছে। ঢাকার ব্যস্ত রাজপথে যেভাবে পাল্লা দিয়ে গাড়িগুলো চালায় চালকরা তা রীতিমতো শিউরে ওঠার মতো। আর পাল্লা দিতে গিয়ে পাশ থেকে কিংবা পেছন থেকে ধাক্কাধাক্কিতো নিয়মিত ঘটনা। তখন ওই বাসে থাকা যাত্রীদের মনের অবস্থা কেমন হয় তা ভালোই বুঝি। কারণ এমন ভয়ঙ্কর মুহূর্তের স্বাক্ষী আমি নিজেই কয়েকবার হয়েছি। আমার ধারণা, রাজধানীর প্রায় সব মানুষই এমন ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা পেয়েছেন অসংখ্যবার। কয়েক দিন আগেইতো কারওয়ান বাজারে পাল্লা দিয়ে চালাতে গিয়ে উল্টে যায় একটি বাস। প্রাণও যায় চালকের সহকারীর। একদিকে অদক্ষ চালক, আইন না জানা, আইন না মানা চালক। অন্যদিকে ফিটনেসবিহীন গাড়ির ছড়াছড়ি।

সবমিলিয়ে কী দাঁড়াচ্ছে? থ্রি হুইলার বন্ধ করলো সরকার। কিন্তু ভুয়া চালকদের হাত থেকে কেন স্টিয়ারিং কেড়ে নেওয়া হলো না? কেন বন্ধ করে দেওয়া হলো না ফিটনেসবিহীন গাড়িগুলো? এরজন্য আদালত কেন স্বপ্রণোদিত হয়ে আদেশ দিতে হলো?

vip carএর কারণ কি এটাই যে, ভুয়া ড্রাইভিং লাইসেন্স আর ফিটনেসবিহীন গাড়ির পেছনে সরকারেরই কোনও কোনও রাঘব বোয়াল জড়িত? আইন যদি তাদের জন্য প্রয়োগ না হয়ে থাকে তাহলে বেচারা থ্রি হুইলারের চালকরা কী দোষ করলো? আইনের কথাই যখন আসলো, তখন বলতেই হয় প্রতিদিন কীভাবে আইন ভাঙা হচ্ছে এই রাজধানীতেই। কারা ভাঙছেন সেই আইন? মন্ত্রী আর সচিব থেকে শুরু করে সরকারের বড় বড় কর্তারাইতো ভাঙছেন? এই লেখায় পুরো রাজধানীর চিত্র তুলে ধরা অবাস্তব। তবে একটি মাত্র উদাহরণেই পরিস্কার হয়ে যাবে সবকিছু। হোটেল রূপসীবাংলা থেকে মিন্টুরোড হয়ে কাকরাইল মসজিদের পাশ দিয়ে সচিবালয়ে যাওয়ার পথ। যারা নিয়মিত এই পথে যাতায়াত করেন তাদের কাছে দৃশ্যটা মন-সওয়া না হলেও গা-সওয়া হয়ে গেছে। যানজটে পড়ে ঠাঁই দাঁড়িয়ে থাকে ব্যক্তিগত গাড়ি থেকে শুরু করে গণপরিবহনগুলো। অফিসগামী কিংবা অফিসফেরত মানুষগুলোর যেন সময়ের কোনও দাম নেই। নেই যেন গন্তব্যে যাওয়ার তাড়া। কিন্তু ওইটুকু সড়কেই নিয়মিত সাইরেন বাজিয়ে উল্টোদিক দিয়ে বেরিয়ে যায় মন্ত্রী এবং সচিবদের গাড়ি। তাদের সামনে থাকে পুলিশের বহর। আসলে সামনে থাকা পুলিশের গাড়িইতো উল্টোদিকে যাওয়ার ব্যবস্থা করে নেয়। কখনও কখনও একটু আটকে গেলে তৎপর হয়ে ওঠে ট্রাফিক পুলিশ। মন্ত্রী আমলাদের গাড়ি নিয়ম ভেঙে উল্টোদিকে যাওয়ার পথটুকু করে দিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন তারা। তাহলে কি দাঁড়ালো? যারা আইনের রক্ষক তারাইতো আইন ভাঙছেন রোজ-রোজ। তাও আম জনতার নাকের ডগায়।

এতে কী বার্তা পৌঁছাচ্ছে সবার কাছে? আইন ভাঙাটাই আসলে আইন হয়ে যাচ্ছে। অনিয়ম করাটাকেই নিয়ম বলে ধরে নিচ্ছে সবাই। সেই বার্তাতো পৌঁছে যাচ্ছে থ্রি হুইলার চালকের কাছেও। সেও তাই না জেনে কিংবা জেনেও মহাসড়কে তুলছে তিন চাকার গাড়ি। তাকে যদি শাস্তি দেওয়ার কথা ভাবা যায় তবে আইন ভেঙে সড়কের উল্টোদিক দিয়ে যাওয়া মন্ত্রী কেন শাস্তি পাবেন না? আর যে মহাসড়কে আইন ভেঙ্গে থ্রি হুইলার চলছিলো এতদিন সেই মহাসড়ক নির্মাণে কিংবা ব্যবহারে কতটা আইন বা নিয়ম মেনেছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো?

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে অনেক পরিকল্পনার কথা আসতেই পারে। সেগুলো বাস্তবায়ন যেমন জরুরি ঠিক একইভাবে থাকতে হবে আইনের কঠোর প্রয়োগ। এবং সেই প্রয়োগটা হতে হবে সবার ক্ষেত্রে, সমানভাবে। তাতে শুধু সড়ক দুর্ঘটনাই নয়, রোধ করা যাবে সমাজের প্রতিটি অনিয়ম।

লেখক: বার্তা সম্পাদক, এসএটিভি

shahariar@journalist.com