October 24, 2021

দৈনিক প্রথম কথা

বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক

থ্রিডি প্রিন্টারে তৈরি ওষুধ আসছে…

ধাতব, প্লাস্টিক বা অন্যান্য পদার্থ দিয়ে নানা আকৃতি ও নক্সার মূল্যবান জিনিস তৈরির পর এবার থ্রিডি প্রিন্টারে তৈরি হতে যাচ্ছে জীবনরক্ষাকারী মূল্যবান ওষুধ। মৃগী রোগের চিকিৎসায় এবং নির্দিষ্ট ধরনের হৃদরোগে আক্রান্ত​প্রাপ্ত বয়স্ক ও শিশুদের জন্য ‘স্প্রিটাম’ নামের ট্যাবলেট তৈরির মধ্য দিয়ে ওষুধ তৈরিতে থ্রিডি প্রিন্টারের ব্যবহার নিশ্চিৎ করেছে মার্কিন প্রতিষ্ঠান ‘অ্যাপ্রিসিয়া ফার্মাসিউটিকালস’। দ্য গার্ডিয়ান।

অ্যাপ্রিসিয়ার তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালের প্রথম দিকে বাজারে আসবে স্প্রিটাম। স্প্রিটাম ছাড়াও অন্যান্য ওষুধও থ্রিডি প্রিন্টারে উৎপাদনের পরিকল্পনা আছে ওই প্রতিষ্ঠানটির।

থ্রিডি প্রিন্টারে বিশ্বে প্রথমবারের মতো তৈরি ওষুধ বাজাজারজাত করার অনুমতি দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’ (এফডিএ)।

শুধু থ্রিডি প্রিন্টারে তৈরি ওষুধ নয় একই প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃত্রিম অঙ্গপ্রত্যঙ্গ তৈরিরও সবুজ সংকেত পেয়েছে এফডিএ নামের ওই প্রতিষ্ঠানটি। তাছাড়া এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তারা স্নায়ুবিক বা নিউরোলজিক্যাল ওষুধও তৈরি করবে বলে প্রতিষ্ঠানটির একজন মুখপাত্র জানান।

ইউনিভার্সিটি অফ সেন্ট্রাল ল্যাঙ্কাশায়ারের ফার্মাসিউটিকাল প্রভাষক ড. মোহামেদ আলবেদ আলনান জানান, “এই প্রযুক্তির বিশেষ সুবিধা হলো- সফটওয়্যারের সাহায্যে পৃথক রোগীর জন্য রোগ নিরাময়ের প্রয়োজনীয় ওষুধ আলাদাভাবে তৈরি করা সম্ভব। এই পদ্ধতিতে ওষুধ বানানো আগে অনেক ব্যয়সাপেক্ষ ছিল।”

থ্রিডি প্রিন্টারে তৈরি ট্যাবলেটে বিভিন্ন স্তর ভাগ করে রাসায়নিক উপাদান নিঁখুত পরিমাণে মিশ্রণ করা যায়। ফলে একটি ট্যাবলেটে সঠিক পরিমানে ওষুধ সরবরাহ আরও সহজ। অন্যান্য সাধারণ ওষুধের মতো থ্রিডিতে প্রযুক্তিতে তৈরি ওষুধগুলোও খুব সহজেই তরল পদার্থের সাথে মিশে যায়। তাছাড়া, নতুন এই প্রযুক্তিতে তৈরি ওষুধের কার্যক্ষমতা আরও বাড়িয়ে তোলা সম্ভব।