January 29, 2022

দৈনিক প্রথম কথা

বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক

ভদকার দশ জানা-অজানা গুণ

ডেস্ক প্রতিবেদন : কড়া মদের মধ্যে ভদকা বিশ্বে সবচেয়ে জনপ্রিয়। জল ও ইথাইল অ্যালকোহলের সাথে বিভিন্ন প্রকার ফ্লেভার মিশ্রিত করে ভদকা তৈরি হয়। সিরিয়াল, রাই, গম, আলু, মিষ্টি আলু, বা চিটাগুড় যে-কোনো একটির গাজনকৃত তরল থেকে ভদকা তৈরি করা সম্ভব।

ভদকায় অ্যালকোহলের উপস্থিতি সাধারণত শতকরা ৩৫ থেকে ৫০ ভাগের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। রাশিয়ান, লিথুনিয়ান, পোলীয় ভদকার ক্ষেত্রে এর আদর্শ পরিমাণ মোট আয়তনের শতকরা ৪০ ভাগ (৮০% প্রুফ)।

ভদকা খাওয়া ছাড়াও আরো বেশ কিছু কাজে আমাদের সহযোগীতা করে থাকে। আসুন জেনে নিই ভদকার জানা অজানা সেই দশ গুণ–

১) ভদকায় চিনি মিশিয়ে ছেটালে ফুল সতেজ থাকে।

২) জলের সঙ্গে ভদকা মিশিয়ে লাগালে চশমার কাঁচ খুব তাড়াতাড়ি দারুণ পরিষ্কার হয়

৩) গদি, তোশক বা ম্যাটট্রেসের জীবাণুমুক্ত হয় ভদকার দ্বারা।

৪) রুপোর গয়না পালিশ করে ঔজ্বল্য বাড়াতে ভদকা ব্যবহার করা হয়।

৫) ব্যান্ড-এইড চামড়ার সঙ্গে এমনভাবে আটকে গিয়েছে যা তোলা বেশ কষ্টকর হচ্ছে? তুলোয় করে ভদকা লাগিয়ে দিলে তা সহজেই উঠে যায়

৬) জামা কাপড়ের দুর্গন্ধমুক্ত করতে দারুণ সাহায্য করে
৭) চুল পরিষ্কারে এর কোনও তুলনা হয় না
৮)  ঘরে মাউথওয়াশ তৈরি করতে ভদকার জুড়ি মেলা ভার
৯) ঘরে খুব পোকামাকড় হয়েছে? ভদকা স্প্রে করলে সব পালাবে।
১০) কালো কাপড়ের রঙ একদম ঠিক রাখতে জলের সঙ্গে ভদকা মিশিয়ে লাগালে খুব কাজে লাগে।

এ ছাড়াও রান্নাঘর পরিষ্কার করতে, জানলা-দরজা মুছতে, আইসপ্যাক তৈরি করতে, ওভেন পরিষ্কার করতে, চটচটে জিনিস তুলতে সাহায্য করে ভদকা)।