July 1, 2022

দৈনিক প্রথম কথা

বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক

দুদকে অভিযোগ অস্বীকার করলেন মুরাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মাকান গ্রুপের চেয়ারম্যান শাহে আলম মুরাদ বলেছেন, ‘আমি কোনো কোম্পানি দখল করিনি, নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পেয়েছি। আমি প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্রের শিকার।’

মঙ্গলবার জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি কথা বলেন।

সকাল ১০টা থেকে বেলা পৌনে ১২টা পর্যন্ত দুদকের উপপরিচালক ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা শেখ আবদুস ছালাম তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মুরাদ বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে সব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমি কোনো কোম্পানি দখল করে চেয়ারম্যান হইনি। কোম্পানির নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পেয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘আমি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছি। এ বিষয়ে দুদকের কর্মকর্তাকে সব বলেছি।’

অন্যদিকে দুদক উপপরিচালক শেখ আবদুস সালাম জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে বলেন, তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের অভিযোগ পাওয়ায় দুদকের নিয়ম অনুযায়ী অনুসন্ধান শুরু করেছি। আজ এ বিষয়ে তার বক্তব্য নিয়েছি। তিনি আগামি ১৫ দিনের মধ্যে তার স্বপক্ষে কাগজপত্র সরবরাহের কথা বলেছেন। কাগজপত্র হাতে পাওয়ার পর এ বিষয়ে বলতে পারব। অনুসন্ধানে এ পর্যায়ে এর বেশি কিছু বলা যাবে না।

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানে গত ১ ফেব্রুয়ারি মুরাদকে দুদকে তলব করা হয়েছিল।

অভিযোগের বিষয়ে দুদক সূত্র জানায়, মুরাদ ক্ষমতার অপব্যবহার করে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে মুরাদ জোর করে মাকান গ্রুপের চেয়ারম্যান হয়েছেন। মাকান গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ডিজনি ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্যবসায়ী মো. খায়রুল আলম তার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করেন। এ অভিযোগে তিনি ঢাকার পঞ্চম যুগ্ম জেলা জজ আদালতে একটি মামলাও করেছেন। যার মামলা নম্বর ৫/২০১৬।

ওই মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত বছরের ৬ আগস্ট দুপুরে শাহে আলম মুরাদ অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসী নিয়ে ডিজনি ডিজাইন কার্যালয়ে গিয়ে জোরপূর্বক নিজেকে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দাবি করেন। সই জাল করে কাগজপত্র তৈরি করে কয়েকজন পরিচালকের পদ বাতিল করে নতুন পরিচালক নিয়োগ করেন। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে একটি লিখিত আবেদনও করেছেন ওই ব্যবসায়ী।