July 2, 2022

দৈনিক প্রথম কথা

বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক

১৫টি ইউপি দলীয় প্রতীকে ভোট গ্রহণ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের ৭১৫টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) দলীয় প্রতীকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়, চলবে বিরতিহীনভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, এই ধাপে তিনটি পদে ৩৬ হাজার ৪৫৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এতে ভোটকেন্দ্র ৭ হাজার ৮৭টি এবং ভোটার ১ কোটি ১৯ লাখ ৪০ হাজার ৭৪১ জন। এই নির্বাচনে ইতোমধ্যে ৫৪ জন চেয়ারম্যান, ১৭৯ জন সাধারণ সদস্য ও ৫৪ জন সংরক্ষিত সদস্য পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর ৬২ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলেও আদালতের নির্দেশে আট ইউপিতে প্রার্থী যোগ হওয়ায় বাকি ৫৪ জন নির্বাচিত হন।

সোমবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কেউ দায়িত্ব পালনে অনিয়ম করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্বরতদের দায়ী করা হবে। কেন্দ্রে রাতে নিবিড় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কোনো কেন্দ্রে ভোটের আগের দিন রাতে সিল মারার খবর পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট থানার ওসি ও দায়িত্বরত কর্মকর্তা দায়ী হবেন।

ছয় ধাপে ৪ হাজার ২৭৯ ইউনিয়নে স্থানীয় সরকারের এ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে ইসি। গত ১১ ফেব্রুয়ারি প্রথম ধাপের ৭৫২ ইউপির তফসিল ঘোষণা করা হয়।

প্রথম দফার নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১ কোটি ১৯ লাখ ৪০ হাজার ৭৪১ জন, এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৫৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৬৯ জন, মহিলা ভোটার ৫৯ লাখ ৪২ হাজার ৬৯৪ জন। নির্বাচনে কেন্দ্রের সংখ্যা ৬ হাজার ৯৮৭টি এবং ভোট কক্ষের সংখ্যা ৩৫ হাজার ২৭১টি।

নির্বাচন উপলক্ষে সোমবার থেকেই নির্বাচনী এলাকার মাঠে নেমেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। পুলিশ, র‌্যাব, আনসার, বিজিবি, কোস্টগার্ডসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রায় ২ লাখ ফোর্স মাঠে রয়েছে। রোববার মধ্যরাত থেকেই বন্ধ হয়েছে সব ধরনের নির্বাচনী প্রচারণা। ইউপি নির্বাচনে সাধারণ ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রভেদে ১৭ থেকে ২০ জনের নিরাপত্তারক্ষী দল রয়েছে।

অন্যদিকে প্রতি উপজেলায় ২টি করে র‌্যাবের মোবাইল টিম ও ১টি স্ট্রাইকিং টিম এবং প্রতি উপজেলায় ২ প্লাটুন বিজিবি মোবাইল ফোর্স ও ১ প্লাটুন স্ট্রাইকিং ফোর্স রয়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলে প্রতি উপজেলার জন্য কোস্টগার্ডের ২ প্লাটুন মোবাইল ফোর্স ও এক প্লাটুন স্ট্রাইকিং ফোর্স রয়েছে। যারা ভোটের পরেও একদিন নিয়োজিত থাকবে।