July 2, 2022

দৈনিক প্রথম কথা

বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক

পহেলা বৈশাখের নতুন সাজ

ডেস্ক প্রতিবেদন : ‘এসো হে বৈশাখ এসো এসো’ গানটি ছাড়া যেমন পহেলা বৈশাখ পূর্ণতা পায় না তেমনি লাল-সাদা পোশাক ছাড়াও অপূর্ণ থেকে যায় পহেলা বৈশাখের উত্সব। বাঙালির সার্বজনীন উত্সবের মধ্যে অন্যতম বাংলা নববর্ষ। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলে সব ব্যবধান ভুলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পালন করে পহেলা বৈশাখ। বছর ঘুরে আবার আসছে বৈশাখ মাস। বৈশাখকে বরণ করে নিতে লাল-সাদাকে প্রাধান্য দিয়ে বর্ণিল সাজে সেজেছে ফ্যাশন হাউসগুলো

পহেলা বৈশাখ মানে বাঙালির প্রাণের উৎসবে মেতে ওঠার নাম। মজার সব খাবার আর সাজ-পোশাকে ঘটে আনন্দের বহিঃপ্রকাশ। বয়স, পরিবেশ আর অভ্যাসের সঙ্গে মিল রেখে বেছে নিতে পারেন বছরের নতুন পোশাকটি।

pc2

পহেলা বৈশাখ উৎসবটি একেবারে দেশীয় সংস্কৃতির তাই বাঙ্গালী নারীদের প্রথম পছন্দের শাড়ি হলো সুতির শাড়ি। অনেকে জামদানি বা সিল্ক শাড়ি পরতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। শাড়ির সঙ্গে ব্লাউজে থাকতে পারে গ্রামীণ আবহ। ঘটি হাতা, গলায় কুচি, লেচ ফিতায় ব্লাউজ বা প্রিন্টের যেকোনোটায় মানিয়ে যাবে।

পোশাকের সঙ্গে গয়নার বিষয় আসবেই। কেউ সম্পূর্ন ফুলেল সাজে সজ্জিত হতে চান, কেউ বেছে নেন মাটির গয়না। কেউ বা পুতি বিডস আর ইমিটেশন বেছে নেন। বাঙালী নারী অলঙ্করণে হাত ভর্তি কাচের চুড়ির জুড়ি নেই। আলতা রাঙা পাও বৈশাখী সাজে অপরিহার্য ধরা চলে। তবে দিনভর ঘোরাঘুরিতে যে সাজ আপনার জন্য স্বস্তিদায়ক সেটাই বেছে নেয়া উচিৎ। আজকের তরুণীরা আবার নানা ডিজাইনের লাল-সাদায় টপস বা সালোয়ার কামিজ বেছে নিচ্ছেন। সেখানেও ব্যবহার চলে নানা রকম গয়নার।

ছেলেদের জন্য পাঞ্জাবিই বেশি মানানসই। পাঞ্জাবির সঙ্গে চুড়িদার সালোয়ার, ধুতি পাজাম বা প্লেন কাটের পাজামা বেশ মানাই। কেউ কেউ প্যান্টের সঙ্গেও পরে নেন। পাঞ্জাবির সঙ্গে রঙিন দোপাট্টা কিন্তু খুব মানানসই। বাঙালি আবহ আনতে রঙিন গামছাও শোভা পায় ফ্যাশন সচেতন ছেলেদের গলায়। এই দিনে কেউ চাইলে ফতুয়া বা গেঞ্জিও পরতে পারেন।

বাচ্চা মেয়েদের পরাতে পারেন পাতলা সুতির শাড়ি বা সালোয়ার-কামিজ। ছেলে বাচ্চাদের পাঞ্জাবি বা ফতুয়া। শখ আর সাধ্যের মধ্যে হতে পারে আপনার পছন্দের বৈশাখী পোশাকটি।