April 20, 2021

দৈনিক প্রথম কথা

বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক

বন্ধ হচ্ছে গ্রামীণফোনের বিজ্ঞাপন

ডেস্ক: বন্ধ হয়ে যাচ্ছে গ্রামীণফোনের বিজ্ঞাপনসহ সব ধরনের প্রচারণা। আগামী ১ মার্চ থেকে কোম্পানিটি সংবাদপত্র, টেলিভিশন, রেডিওসহ কোনো গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার করতে পারবে না। থাকতে পারবে না কোনো বিলবোর্ড,ব্যানার, ফেস্টুন। হতে পারবে না কোনো অনুষ্ঠানের স্পন্সর। এগুলোসহ কোম্পানিটির সব ধরনের প্রমোশনাল কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

দেশের সবচেয়ে বড় টেলিফোন অপারেট গ্রামীণফোন লিমিটেডের চারটি শর্ত আরোপ করেছে টেলিকম খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। গতকাল ১৮ ফেব্রুয়ারি সোমবার বিটিআরসি এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

প্রজ্ঞাপনে মোবাইল নাম্বার পোর্টেবিলিটি (এমএনপি) এর ক্ষেত্রে লকইনের সময় ৯০ দিন থেকে কমিয়ে ৩০ দিন করা হয়েছে। অর্থাৎ অন্য মোবাইল অপারেটরের কোনো গ্রাহক গ্রামীণফোনে এসে আবার ফিরে যেতে চাইলে ৩০ দিন পরই তারা তা পারবে। কিন্তু গ্রামীণফোনের কোনো গ্রাহক অন্য অপারেটরে গিয়ে ফের গ্রামীণফোনে ফিরে আসতে চাইলে তাকে ওই অপারেটরের সঙ্গে কমপক্ষে ৯০ দিন থাকতে হবে।

প্রজ্ঞাপন অনুসারে ২৮ ফেব্রুয়ারির পর থেকে গ্রামীণফোন অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে স্বতন্ত্র বা একক স্বত্ত্বাধিকার চুক্তি করতে পারবে না। এছাড়া অপারেটরটির কলড্রপের সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য সীমা হবে ২ শতাংশ। বিটিআরসির হিসাবে বর্তমানে গ্রামীণের কলড্রপের হার ৩ দশমিক ৩ শতাংশ।

উল্লেখ, বিটিআরসি গত সপ্তাহে মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোনকে সিগনিফিকেন্ট মার্কেট পাওয়ার (Significant Market Power-SMP) বা তাৎপর্যপূর্ণ বাজার ক্ষমতাসম্পন্ন পরিচালনাকারী হিসেবে ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেয়। এর আলোকে কাল কোম্পানিটির ওপর এসব নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে বিটিআরসি।

এর আগে গত বছরের নভেম্বর মাসে বিটিআরসি টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইনের অধীনে ‘তাৎপর্যপূর্ণ বাজার ক্ষমতা প্রবিধান মালা-২০১৮’ জারি করে। এতেই কোনো মোবাইল অপারেটর গ্রাহকসংখ্যা, রাজস্ব অথবা তরঙ্গ—এ তিন ক্ষেত্রের একটিতে ৪০ শতাংশের বেশি বাজার হিস্যাধারী হলে এসএমপি অপারেটর হিসেবে ঘোষণার ক্ষমতা দেওয়া হয় বিটিআরসিকে। বিটিআরসির চিঠিতে বলা হয়েছে, গ্রামীণফোন গ্রাহকসংখ্যা ও অর্জিত বার্ষিক রাজস্বের দিক দিয়ে ৪০ শতাংশ বাজার হিস্যাধারী।

সূত্র: অর্থসূচক